শত পরিবারের টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ

রাজধানীর কদমতলী এলাকার শিরিন বকুল নামে এক নারী তিন শতাধিক পরিবারের কাছে থেকে প্রায় ৩০ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।

তাদের অভিযোগ, চাকরির দেয়া, গর্ভবতী মহিলাদের সাহায্য করা, যেকোনো পরিমাণের টাকা বিনিয়োগ করলেই ছয় মাসের মধ্যে দ্বিগুণ লাভ দেয়া হবে এমন প্রলোভন দেখিয়ে তিন শতাধিক পরিবারকে কাছে থেকে প্রায় ৩০ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। এখন ভুক্তভোগীরা টাকা চাইতে গেলে লোকজন দিয়ে মারধর ও ভয়ভীতি দেখাচ্ছেন।

জানা গেছে, শিরিন বকুল এই চক্রের মূলহোতা হলেও তার সঙ্গে আলামিন, হাসানসহ আরো ৫-৭ জন জড়িত। তিনি স্থানীয়ভাবে প্রভাবশালী হওয়ায় তার বিরুদ্ধে মুখ খুলতেও ভয় পাচ্ছেন ভোক্তভোগিরা।

মৌসুমি আক্তার নামে এক ভুক্তভোগী বলেন, শিরিন বকুল আমার পরিবার ও আত্মীয় স্বজনের কাছে থেকে বিভিন্নভাবে প্রলোভন দেখিয়ে প্রায় ১ লাখ টাকা নিয়েছেন। টাকা ফেরত দেয়ার নাম করে গত মাসে আমাদের অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র নিয়েছেন। এখন তিনি সবকিছু অস্বীকার করছেন।

হালিমা নামে আরেক ভুক্তভোগি জানান, ১০ হাজার টাকা দিলে ১ বছর পরে ১ লাখ টাকা দেয়া হবে; এমন প্রস্তাবে আমি শিরিন বকুলকে ৩০ হাজার টাকা দেই। এছাড়া বিদেশি থেকে স্যার আসবে কাগজপত্র জমা দিতে হবে বলে গত জানুয়ারি মাসে আমার থেকে কাগজপত্রও নেয়া হয়। এখন টাকা ও কাগজপত্র কিছুই দিচ্ছেন না।

এমনই আরো বেশ কয়েকজন ভুক্তভোগি জানান, শিরিন বকুল গর্ভবতী মহিলা, বয়স্ক লোক, বেকার লোকদের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা দেয়ার নাম করে অনেক টাকা নিয়েছে। এখন টাকা চাইতে গেলে তারা ভয়ভীতি দেখাচ্ছেন।

এ বিষয়ে কদমতলী থানার ওসি জামালের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, শিরিন বকুলের নামে আমাদের কাছে অভিযোগে এসেছে। আমরা তদন্ত করে দেখবো। প্রমাণ পেলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*