ব্যবসায়ী স্বামীকে ঘুমে রেখে ছাত্রলীগ নেতার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক!

নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এক ব্যবসায়ীর স্ত্রীর সাথে অবৈধ মিলনের সময় ধরা খাওয়ায় স্থানীয় জনতা ১০ লাখ টাকা কাবিনে তাদের বিয়ে দিয়েছেন।

ঘ’টনাটি এলাকায় ব্যপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টির করেছে। ছাত্রলীগের এই নেতার নাম সুবাশীষ কবির সুবাস।

মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১টার দিকে গুরুদাসপুর পৌর সদরের চাঁচকৈড় বাজার পাড়া এলাকায় এ ঘ’টনা ঘ’টেছে জানা যায়, ওই এলাকায় ফিড ব্যবসায়ী জনি রহমানের স্ত্রীর সাথে দুই বছর ধরে পরকীয়া প্রেম চালিয়ে যাচ্ছিল ছাত্রলীগ নেতা সুবাস।

বরাবরের মত মঙ্গলবার রাতেও জনিকে অন্য ঘরে ঘুমন্ত অবস্থায় রেখে পাশের একটি কক্ষে মিলিত হয় তারা। এলাকাবাসী বিষয়টি টের পেয়ে তাদের হাতেনাতে আ’টক করে।

এই ঘ’টনা জা’নার সাথে সাথে জনি রহমান তার স্ত্রীকে তালাক দিয়ে দেন। পরে ওই নারী ও তার পরকীয়া প্রে’মিক সুবাসের সম্মতিতে ১০ লাখ টাকা কাবিনে তাদের বিয়ের

আয়োজন করেন এলাকাবাসী। স্থা’নীয় কাজী আব্দুল্লাহ তাদের বিয়ে পড়ানো সম্পন্ন করলে ওই রাতেই নতুন বৌকে নিয়ে নিজবাড়িতে চলে যান সুবাস। জা’না যায়, বেশ কয়েকবছর আগে স্থানীয় ফিড ব্যবসায়ী জনি রহমানের সাথে কুষ্টিয়ার ওই নারীর পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। দীর্ঘদিনের সংসারে তাদের কোনো সন্তান নেই।

স্বামী সারাদিন ব্যবসা নিয়ে ব্যস্ত থাকার সুযোগে ২ বছর আগে থেকে ওই নারী সুবাসের সাথে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়ে। এ নিষয়ে কথা বলতে উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা সুবাসের মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন দিলে বন্ধ পাওয়া যায়।

নাটোর জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রিয়াজুল মাসুম জানান, ছাত্রলীগ নেতা সুবাস পরকীয়া করে ধরা পড়ে বিয়ে করেছে বলে আমিও শুনেছি। তবে তার সাথে কথা হয়নি। এই ঘটনা জানার সাথে সাথে জনি রহমান তার স্ত্রীকে তালাক দিয়ে দেন। পরে ওই নারী ও তার পরকীয়া প্রেমিক সুবাসের সম্মতিতে ১০ লাখ টাকা কাবিনে তাদের বিয়ের আয়োজন করেন এলাকাবাসী।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*